প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে সম্প্রকি পর্তুগালের বহুল আলোচিত নতুন নাগরিকত্ব আইন চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। নতুন আইনে অভিবাসীদের নাগরিকত্বের জন্য বৈধ বসবাসের সময়সীমা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়েছে। পাশাপাশি রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু ও শর্তেও আনা হয়েছে কঠোরতা।
এছাড়া দেশটিতে জন্ম নেয়া অভিবাসী শিশুদের নাগরিকত্ব প্রাপ্তিতেও যোগ হয়েছে নানা জটিল নিয়ম। ফলে আইনটির চূড়ান্ত অনুমোদনের পরপরই হতাশা নেমে আসে দেশটিতে বসবাসরত লাখো অভিবাসীর মাঝে।
নাগরিকত্বের পাশাপাশি রেসিডেন্স পারমিট ইস্যু ও নবায়ন প্রক্রিয়াও এখন অভিবাসীদের বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও অনেকে পারমিট না পেয়ে ছুটছেন সংশ্লিষ্ট দফতরে। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করেও পাচ্ছেন না কোনো সুস্পষ্ট উত্তর।
অনেককে বাধ্য হয়ে বাড়তি খরচে আইনজীবীর সহায়তা নিতে হচ্ছে। এছাড়া প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ছাড়াই আবেদন বাতিল করাসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার বিরুদ্ধে খামখেয়ালি আচরণের অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।
নানা জটিলতার পাশাপাশি বর্তমানে পরিবারের সদস্যদের পর্তুগালে আনতেও যোগ করা হয়েছে কঠিন সব শর্ত। এতে করে শুধু ব্যক্তি নয়, পুরো পরিবার নিয়েই অনিশ্চয়তায় পড়ছেন অনেকে।
উচ্চ খরচে ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় এসে পর্তুগালে অনেক বাংলাদেশি এখন মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি।