সৌদি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে, জাতীয় জরুরি সতর্কতা ব্যবস্থার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দাদের কাছে বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে কী ধরনের হামলা বা বিপদের আশঙ্কা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
সতর্কবার্তা পাওয়ার পর আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। বিশেষ করে ভবনের ভেতরে জানালা থেকে দূরে কোনো কক্ষে অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই থাকার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া খোলা জায়গা, বারান্দা ও ছাদ এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে। সতর্কবার্তার সময় কেউ বাইরে থাকলে দ্রুত কাছের ভবনে আশ্রয় নেওয়া অথবা শক্ত কোনো স্থাপনার আড়ালে অবস্থান করার পরামর্শ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গাড়িচালকদেরও বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে। জরুরি সতর্কবার্তা পাওয়ার পর সেতু কিংবা উঁচু স্থাপনার কাছ থেকে দূরে নিরাপদ জায়গায় গাড়ি থামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জনসমাগম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলতে এবং কেবল সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।
তবে এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য হুমকির উৎস বা প্রকৃতি সম্পর্কে সৌদি কর্তৃপক্ষ কোনো নির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেনি। ফলে মক্কা, জেদ্দা ও তাইফকে কেন সতর্কতার আওতায় আনা হয়েছে, তা নিয়ে পরিষ্কার কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এর মধ্যেই সৌদি আরব ও ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। বিভিন্ন সৌদি শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবরের পাশাপাশি ইয়েমেনে হুতিদের অবস্থানে সৌদি বাহিনীর পাল্টা হামলাও হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে মক্কা ও জেদ্দার মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরসহ পশ্চিমাঞ্চলের তিন এলাকায় জরুরি সতর্কতা জারি হওয়ায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।