শিশু থেকে বয়স্ক, প্রায় সব বয়সের মানুষের জন্য দুধ অপরিহার্য খাদ্য। এতে রয়েছে ভিটামিন ডি, বি১২, প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম, যা শরীরকে শক্তিশালী রাখে। কিন্তু যখন এই দুধে মেশানো হয় ভেজাল, তখন তা হয়ে ওঠে মারাত্মক ক্ষতিকর। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন, ভেজাল দুধ দীর্ঘমেয়াদে নানা জটিল রোগের কারণ হতে পারে।
দুধকে বলা হয় "সম্পূর্ণ খাদ্য"। এতে রয়েছে:
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় দুধ থাকলে শিশুদের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হয় এবং বয়স্কদের হাড় ক্ষয় রোধে সহায়তা করে।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দুধে ভেজাল মেশানোর ঘটনা নতুন নয়। পানি, স্টার্চ, ডিটারজেন্ট, এমনকি ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশিয়ে দুধের পরিমাণ বাড়ানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভেজাল দুধ নিয়মিত গ্রহণ করলে তা ধীরে ধীরে শরীরকে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত করে।
বাজারে খোলা দুধের পাশাপাশি প্যাকেটজাত দুধও পাওয়া যায়। তবে খোলা দুধে ভেজালের ঝুঁকি বেশি। সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিয়মিত অভিযান চালালেও ভেজাল দুধের প্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, দুধে ভেজাল রোধে কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো জরুরি।
দুধ আমাদের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য উপাদান হলেও ভেজাল মিশ্রণের কারণে তা হয়ে উঠছে জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি। সচেতন ভোক্তা, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং নিয়মিত বাজার তদারকি ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়।