অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, টানা বৃষ্টি এবং একাধিক দুর্ঘটনার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার গভীর রাত থেকে শুরু হওয়া এ ভোগান্তিতে দুর্ভোগে পড়েছেন ঈদে ঘরমুখো হাজারো যাত্রী।
সকাল পর্যন্ত যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্ত থেকে এলেঙ্গা, রাবনা বাইপাস, নগরজলফৈ ও করটিয়া পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। কোথাও কোথাও গাড়ি থেমে থাকছে দীর্ঘ সময়, আবার কিছু এলাকায় ধীরগতিতে চলাচল করছে।
পুলিশ ও সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, রাত তিনটার পর প্রবল বৃষ্টির মধ্যেই যমুনা সেতুর ওপর কয়েকটি যানবাহন বিকল হয়ে পড়ে এবং একাধিক দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িগুলো রেকার দিয়ে সরাতে সময় লাগায় টোলপ্লাজার কার্যক্রমও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখা হয়। এতে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।
যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ঈদকে সামনে রেখে যানবাহনের চাপ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। পরিস্থিতি সামাল দিতে সেতুর দুই প্রান্তে ১৮টি বুথ চালু রাখা হয়েছে, যার মধ্যে মোটরসাইকেলের জন্য রয়েছে দুটি পৃথক বুথ।
টাঙ্গাইল ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আনিসুর রহমান জানান, বৃষ্টি ও দুর্ঘটনার কারণে মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। তবে সকাল ৮টার পর থেকে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে মহাসড়ককে চারটি সেক্টরে ভাগ করে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।