পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিন রোববার (২৪ মে) সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে ছিল যাত্রীদের সরব উপস্থিতি। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ভিড়ের চাপ, হুড়োহুড়ি কিংবা বিশৃঙ্খলার চিত্র দেখা যায়নি।
সরকারি ছুটি শুরুর আগেই যাত্রা করায় অনেকেই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরতে পারছেন বলে জানিয়েছেন। সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে অন্তত ছয়টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। বেশিরভাগ ট্রেন নির্ধারিত সময়ের কাছাকাছি চলাচল করায় যাত্রীদের মধ্যেও সন্তোষ দেখা গেছে।
ঈদযাত্রা নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখতে স্টেশনজুড়ে নেওয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন রাখা হয়েছে। পাশাপাশি ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে।
রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানিয়েছেন, আগামীকাল থেকে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেনসহ অতিরিক্ত ১০টি ট্রেন চালু করা হবে। এতে ঈদে ঘরে ফেরা যাত্রীদের চাপ অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, দিনের শুরুতে দুটি ট্রেনে ভ্রমণ করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন তিনি। ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক হলেও সকালে তিনটি ট্রেন কিছুটা বিলম্বে ছেড়েছে। এর মধ্যে একটি প্রায় ৩০ মিনিট এবং আরেকটি প্রায় এক ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে যায়। দ্রুত এসব সমস্যা সমাধানে কাজ চলছে বলেও জানান রেলমন্ত্রী।