উদ্ধার হওয়া দুজন হলেন ৩০ বছর বয়সী সঞ্জয় শাহ ও ৪৫ বছর বয়সী কবির মহার্জন। সঞ্জয় যান্ত্রিক ফোরম্যান এবং কবির যান্ত্রিক সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত ২৬ আগস্ট কাদা ও ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোতে ওই এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর তারা নিখোঁজ ছিলেন।
উদ্ধারকারীদের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, কাদায় পূর্ণ সুড়ঙ্গ থেকে প্রথম শ্রমিককে বের করে আনার পর তাকে দাঁড়াতে সহায়তা করা হয়। দ্বিতীয় শ্রমিককে স্ট্রেচারে করে বাইরে নিয়ে আসা হয়। দুজনকেই উদ্ধারের পর নিরাপদ স্থানে নেওয়া হয়েছে।
এর আগে উদ্ধারকারী দল সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ক্ষীণ সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়েছিল। উদ্ধারকারীরা ভেতরে থাকা শ্রমিকদের উদ্দেশে কথা বললে সেখান থেকে ‘হ্যাঁ’ বা ‘ঠিক আছে’ অর্থের একটি ক্ষীণ শব্দ শোনা যায় বলে জানানো হয়েছিল। এরপর দ্রুত ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে উদ্ধারের কাজ জোরদার করা হয়।
উদ্ধারকারীরা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের মুখে জমে থাকা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ মিটার ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে ফেলার পরই ভেতরে পৌঁছানোর পথ তৈরি হয়। এর এক ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে দুই শ্রমিককে জীবিত বের করে আনা সম্ভব হয়।
নেপালের এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১ হাজার ২৫০টির বেশি মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। পাশাপাশি ৫ হাজারেরও বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। বিভিন্ন সুড়ঙ্গে আরও অনেক শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে দেশটির সরকার। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।