শনিবার রাতে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে রিয়াল। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এমবাপ্পে। আলভারো কারেরাসকে বক্সের মধ্যে ফাউল করা হলে পাওয়া স্পটকিক থেকে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান ফরাসি ফরোয়ার্ড।
এর তিন মিনিট পরই গোলের সুযোগ তৈরি করে দেন এমবাপ্পে। তার বাড়ানো বল পেয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলভারো কারেরাস। এরপর ৩৫ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দেওয়া বল থেকে রিয়ালের তৃতীয় গোলটি করেন জুড বেলিংহাম।
প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্বাগতিকরা। বিরতির আগে আরও একবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন এমবাপ্পে। তবে তার শক্তিশালী শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে রায়ো। সার্জিও কামেয়োর গোলে ব্যবধান ৩-১ হয়। এতে ম্যাচে উত্তেজনা বাড়লেও রিয়ালের জয়ের পথে বড় কোনো বাধা তৈরি করতে পারেনি সফরকারীরা।
ম্যাচের যোগ করা সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে। নিচু ও শক্তিশালী শটে দূরের পোস্টের কোণ দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে রিয়ালের জয় ৪-১ নিশ্চিত করেন তিনি।
এটি নতুন লা লিগা মৌসুমে পাঁচ ম্যাচে রিয়ালের চতুর্থ জয়। রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে ঘরের মাঠে নিজেদের দারুণ রেকর্ডও ধরে রেখেছে দলটি। শেষ ১৫টি হোম ম্যাচের মধ্যে ১৪টিতেই জয় পেয়েছে রিয়াল।
এই জয়ের ফলে বার্সেলোনার সঙ্গে পয়েন্ট সমান হয়েছে রিয়ালের। তবে বার্সেলোনা রোববার লেভান্তের বিপক্ষে জয় পেলে আবারও তিন পয়েন্টের ব্যবধান তৈরি হবে।